কিছুক্ষন সময় মুফতি আব্দুল মালেক(দা.বা) এর সাথে-জাকির হোসেন


অনেক দিন ধরে ইচ্ছা ছিল হযরতের সাথে দেখা করব।আর কার মনে না চায় উনার মত মানুষের দেখা করার। উনার মত জ্ঞানী ও তাকওয়াবান মানুষ খুব কমই দেখেছি আমি।১ বছর পর্যন্ত কথা বলেছি মোবাইলে।যেকোন মাসালার সম্পর্কে জানতে হলে উনার কাছে ফোন করতাম।আমি উনার প্রত্যেকটি লেখার অপেক্ষা করতে থাকি।আলহামদুলিল্লাহ উনার পরামর্শ মত আমি চলার ও চেষ্টা করি।উনি যেসমস্ত বই পড়তে বলেন তা না পড়া পর্যন্ত আমার মন ছটপট করতে থাকে।যাইহোক ঢাকা ম্যাটস এ ভর্ত্তি হওয়ার পর ভাবলাম হযরতের সোহবতে থাকার একটা সুবর্ন সুযোগ এল।কারন মারকাযুদ্দাওয়া থেকে ঢাকা ম্যাটস মাত্র ১০ মিনিট এর রাস্তা।কিন্তু এখনো তো হযরতের সাথে দেখাই করতে পারলাম না,অবশ্য এর আগে উনার আজরুন করিম মসজিদে গিয়েছিলাম কিন্তু দেখা হল না।দেখা হল উনার ছাত্রের সাথে।আমি তো মনে করেছিলাম যে,উনিই মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব।একদিন কলেজ শেষে মারকাজে গেলাম গিয়ে শুনি হয্ররত কিছুক্ষন আগে বের হয়ে গেলেন।তো ঐদিন ও দেখা হল না।এভাবে অনেক বারই দেখা হল না প্রায় ৭-৮ বার হবে।শেষে হযরত কে ফোন করে জানালাম অনেকবার গিয়েছি আমি কিন্তু পায়নি।তিনি বললেন আপনি প্রতি শনিবার ১১-১২ টার মধ্যে আসলে আমাকে পাবেন।আমি বললাম জি ইনশাল্লাহ চেষ্টা করব।পড়ে একদিন ঠক সময়ই গেলাম তারখ টা মনে পড়ছে না আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে হযরতকে দেখার সৌভাগ্য হল।উনাকে সালাম দিয়ে রুমে প্রবেশ করলাম।অতি সাধারন একজন মানুষ।উনাকে না দেখলে তা বোঝা যায় না।দেখি আরেকজন লোক ও প্রবেশ করলেন হযরতের সাথে দেখা করতে।তিনি এসেছিলেন একটি বইয়ের জন্য অভিমত নিতে হযরত আগে বইটি দেখলেন এবং বললেন যে,রেফারেন্স গূলো বেশি শক্তিশালী নয় তাই আমি অভিমত দিতে পারছি না।উনার সাথে কথার পর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন জি আপনি বলুন।আমি বললাম আমি শুধু আপনার সাথে দেখা করতে এসেছি।তারপর মাথায় হাত দিয়ে হযরত কি যেন ভাব্লেন তারপর বললেন কেমন আছেন?আমি বললাম আলহামদুলিল্লাহ।তারপর আমি আমার পরিচয় বলালাম ও হযরতের সাথে যে মোবাইলে কথা হত তাও বললাম।তারপর তিনি বললেন ও আপনিই সেই।আমি বললাম জি।তারপর অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হল।আলোচনা শেষে বললেন দুপরের খানা খেয়েছেন আমি বললাম না,হোস্টেলে গিয়ে খাওয়ার নিওত আছে।তাহলে দুপরের খানা টা আমাদের এখানে শরিক হোন আমি তো আশ্চর্য হলাম।এত বড় আলেমের কাছ থেকে এটাই আমা্র প্রথম পাওয়া দাও্যাত।নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করে দাওয়াতটা গ্রহন করলাম।তারপর আরো অনেক কথার পর হযরতের কাছ থেকে বিদ্যায় নিয়ে চলে আসলাম।এবং আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলাম আল্লাহ আমার ইচ্ছাটি পূরন করায়।

Posted on February 17, 2013, in IJBFBD POST. Bookmark the permalink. Leave a comment.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: