আমাদের গ্রাম

ছায়ায় ঘেরা মায়ায় ভরা আমাদের গ্রাম,
আাঁকা-বাঁকা নদী বয়ে চলছে অবিরাম।
মাঝি টানে নৌকার দাড় বেয়ে যায় উজান,
চাষি করছে লাঙ্গল চাষ, ফলায় মাঠে ধান।

রাখাল বাজায় বাশের বাঁশি মিষ্টি তার সুর,
নীল আকাশে উড়ছে পাখি দূর বহু দূর।
সাগর জলে মুক্তা মিলে সোনা মাটির তলে,
কই মাগুর খালে-বিলে, ইলিশ লোনা জলে।

10151812_10201998927999714_498798140_n

এই দেশেতে সোনা ফলে সবুজ শ্যামল মাঠে,
হীরা মানিক মুক্তা মিলে সাগর নদীর ঘাটে।
ঝোপে-ঝাড়ে বাশ বাগানে বসে বকের ঝাঁক,
অন্ধকারে জোনাক জ্বলে ঝিঝি পোকার ডাক।
———-
-আবু জাফর

আল্লাহর সৃষ্টি ও ঈমান

আল্লাহর সৃষ্টির এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড যে এতো নিখুত নিপুন ও সূক্ষভাবে সৃষ্টি করেছেন তা আমরা একটু গভীর ভাবে চিন্তা করলেই বুঝতে পারি। সৌরজগত সূর্য, চন্দ্র, তাঁরা, জল, বায়ু, জীব, উদ্ভিদ সবকিছুই যে একে অপরের উপর নির্ভরশীল এবং সব যেন এক সাথে একই সুতই গাঁথা। আবার প্রত্যেকে চলেছে তার নিজস্ব গতিতে। পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে ৩৬৫দিনে, আবার পৃথিবী তার নিজ কক্ষপথে ঘুরছে, ২৪ ঘন্টা পর পর রাত ও দিন হচ্ছে। চন্দ্র তারা যথারিতি অমাবস্যা, পুর্ণিমা হচ্ছে। জল-বায়ু গৃষ্মের প্রচণ্ড গরমে এবং তাপে মেঘ গলে বৃষ্টি নামছে। হিমালয় গলে ঢল নামছে ধাবিত হচ্ছে সমুদ্রের দিকে, কখনো নামছে বন্যা। এক সময় এই সমুদ্রের পানিও বাস্প হয়ে আবার উড়ে যাচ্ছে আকাশে। মানুষ সৃষ্টির সেরা আশরাফুল মাখলুকাত। একদিন ভুমিষ্ট হয় নবজাতক শিশু হয়ে, তার পর শৈশব কৈশর ও বার্ধক্যে এসে একদিন অবশ্যই মৃত্যুবরন করতে হয়। আমি মনে করি এই পৃথিবীতে যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে সব কিছুই যেখান থেকে যার উৎপত্তি সেখানেই তার ফিরে যেতে হয়।

আল্লাহ মাটি দিয়ে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন, আবার এই মাটিতেই সব কিছু সমাধি হবে। গৃষ্মের কাটফাটা রৌদ্রের খরতাপে যখন মৃত্তিকা ফেটে চৌচির, তখন আবার এই বৃষ্টির পানিতে মাটি ফিরে পাচ্ছে তার নতুন জীবন এবং হচ্ছে উর্বর। আর যত উদ্ভিদ ও বৃক্ষরাজি ফিরে পাচ্ছে তার প্রানশক্তি। পৃথিবীতে এই গাছ যদি না থাকতো তাহলে মানুষ ও জীব-জন্তু বাচতো না। গাছ অক্সিজেন দেয় তাই মানুষ শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ে বেচে থাকে, আবার আমরা যে কার্বণডাইঅক্সাইড ত্যাগ করি তাই গাছে গ্রহন করে। পৃথিবীতে যত প্রানী, জীবজন্তু ও উদ্ভীদ আছে প্রত্যেকের আহারের ব্যবস্থা একে অন্যের পরিপুরক। এই পৃথিবীকে এত সুন্দর করে সৃষ্টি করা শুধু সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পক্ষেই সম্ভব। সৃষ্টির সেই ঊষালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত তাঁর সমস্ত সৃষ্টির বিন্দুমাত্র ভুল বা অমিল কোন মহামানব এখনো পর্যন্ত প্রমান করতে পারেনি।

মহান রাব্বুল আলামিন তার রাসুলের প্রতি নাযিল করেছিলেন পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কূরআন। ১৪০০ বছর পরেও আজ পর্যন্ত যার একটি বর্ণও বিকৃত হয়নি! তাই পৃথিবীর একমাত্র নির্ভুল ধর্মগ্রন্থ পবিত্র আল কূরআন! ইসলাম ধর্মের মূল ভিত্তি পাঁচটি। কালিমা, নামাজ, রোজা, হজ্জ ও যাকাত। যা আমদের জন্য ফরয। এই সবগুলো ফরয যদি আমরা আদায় করতে পারি, তাহলে একটু গভীর ভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে এটা আমাদের শরীর, সমাজ, দেশ ও জাতির জন্য অত্যাবশ্যক।

আর রাসুল (সাঃ) যে সমস্ত আমল করতেন যা আমাদের উপর ছুন্নাত, এই সমস্ত ছুন্নাত যেমন – মেছওয়াক অজু গোসল নামাজ ইত্যাদি আমরা যদি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে দেখি তাহলে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে যে এগুলো আমাদের শরীরের জন্য খুবই দরকার। আল্লাহর সমস্ত সৃষ্টি ও নিয়ামত আমরা যতই জানার বা বোঝার চেষ্টা করবো, অবশ্যই তার প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায় না করে পারবো না। সব প্রশংসার দাবিদার একমাত্র আল্লাহতায়ালা। আর এই সবকিছু বিশ্বাস করার মানেই ঈমান আনা। ইসলাম ধর্মের প্রথম শর্তই হলো ঈমান।
————
মোঃ আবু জাফর

16310_345730208869888_229879480_n

আল্লাহই সর্বশক্তিমান

যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, তবে গুণে শেষ করতে পারবে না।

Ijbf1

স্মৃতিতে বৈশাখ

পুরোনো দিনের স্মৃতি কথা সব হৃদয়পটে ভেসে থাক,
সুখের দিশা পেলো আবার ফিরে এলো পহেলা বৈশাখ।
এখন আর নেই চৈত্রের খাখা রোদ নেই প্রচণ্ড খরতাপ,
রোদ্রের উত্তাপে বাকড়ি ধুলিঝড় সে যেন এক অভিশাপ।

নদীনালা পুকুরঘাট মাঠেরপরে মাঠ শুকিয়ে ফেটে চৌচির,
আল্লাহ মেঘদে পানিদে বলে কাদামেখে খাইতো সবে ক্ষীর।
ইন্দ্রা-পাটকূয়ার পানিছিল সম্বল, ছিলনা ডিপ কিম্বা স্যালো,
ঘরে ঘরে ছিল ল্যাম্প-হারিকেন ছিলনা বিদ্যুৎ-এর আলো।

শুধু ধুধু মাঠ, নেই ধান পাট, চরিতো গরু ছাগল ভেড়া,
সবকিছু থাকতো ছাড়া মাঠে মাঠে খেয়ে বেড়াতো এড়া।
মাঠে ছেড়ে দিয়ে গরু-ছাগল রাখাল উড়াতো শুধু ঘুড়ি,
সন্ধ্যা হলে সবাই আপন ইচ্ছাই, ফিরে আসতো বাড়ী।
………..
-আবু জাফর

উম্মাহর ঐক্য পথ ও পন্থা-মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক

hbook005ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

ত্রৈমাসিক ইসলামী জীবন (মার্চ-২০১৩)

001ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

প্রজন্মের ইসলামী ব্যক্তিত্বঃমাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক(দা.বা)-মুহাম্মদ জাকির হোসেন

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক (জন্মঃ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দ,১৩৮৯ হিজরী) বাংলাদেশের একজন ইসলামী ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকার ইসলামী গবেষণামূলক উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মারকাযুদ্ দাওয়াহ আল ইসলামিয়ার প্রতিষ্ঠাতা, সেখানকার উলূমুল হাদীস অনুষদ এবং রচনা ও গবেষণা বিভাগের প্রধান এবং তিনি মাসিক আলকাউসারের তত্ত্বাবধায়ক।

শিক্ষাজীবন

তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয় চাদপুর শাহরাস্তির খেড়িহর কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার মাধ্যমে। সেখানে তিনি মিশকাত (ফযীলত) জামাত পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন। এরপর তিনি বিনোরি টাউন জামিয়াতুল উলুম আলইসলামিয়ায় ভর্তি হন।১৯৮৮ সালেতিনি সেখানে তাকমীল ( ইসলামিক স্টাডিজ-এ মাস্টার্স সমমানের ডিগ্রি) সমাপন করেন। Read the rest of this entry

মুহাম্মদ ( স: ) সম্পর্কে জর্জ বার্নাড শ, টমাস কার্লাইল, মহাত্মা গান্ধী এবং আরও কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব -শহীদুল আহসান

ইসলাম ও ইসলামের নবী মুহাম্মদ(সঃ) বর্তমান বিশ্বে অত্যন্ত আলোচিত বিষয়। মুহাম্মদ ( স: ) সম্পর্কে এখানে উল্লেখিত বিভিন্ন মনিষীর উদ্ধৃতিগুলো বিভিন্ন বই থেকে নেয়া। সেখান থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছি।
Sir George Bernard Shaw in ‘The Genuine Islam,’ Vol. 1, No. 8, 1936.
মুহাম্মদের ধর্মের প্রতি আমি সবসময় সুউচ্চ ধারণা পোষণ করি কারণ এর চমৎকার প্রাণবন্ততা। আমার কাছে মনে হয় এটাই একমাত্র ধর্ম যেটা সদা পরিবর্তনশীল জীবনযাত্রার সাথে অঙ্গীভূত হওয়ার ক্ষমতা রাখে যা প্রত্যেক যুগেই মানুষের হৃদয়ে আবেদন রাখতে সক্ষম। আমি তাঁর(মুহাম্মদ) সম্বন্ধে পড়াশোনা করেছি– চমৎকার একজন মানুষ এবং আমার মতে খ্রিস্টবিরোধী হওয়া সত্বেও তাঁকে অবশ্যই মানবতার ত্রাণকর্তা বলতে হবে। Read the rest of this entry

ইসলামের দৃষ্টিতে ধর্ষকের শাস্তি-মাওলানা ইউসুফ সুলতান

বেশ কিছুদিন ধরে সংবাদপত্রে ধর্ষণের সংবাদগুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। ফেইসবুক ও ব্লগাগুলোতেও বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচনায় আসছে। ভিন্ন শব্দ ও প্রকাশে সবার একটাই চাওয়া। ধর্ষককে কঠোর শাস্তির সম্মুখীন করা।
এসব আলোচনা দেখে এ বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লেখার নিয়ত করেছি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে শুরু করছি।
ধর্ষণের সংজ্ঞা:
উইকিপিডিয়া অনুযায়ী ধর্ষণ হলো: Read the rest of this entry

আল্লাহর ওপর ভরসা – আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম (রহ)

তায়াক্কুল এর অর্থ হল ভরসা করা, নির্ভরশীল হওয়া। কুরআন এবং হাদিসে তাওয়াক্কুলের বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল কর, যদি তোমরা ঈমানদার হয়ে থাকো।’ (আল মায়েদাঃ ২৬) ‘ঈমানদারদের কর্তব্য হল আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল করা।’ (সূরা ইব্রাহীমঃ ১২) ‘যে আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল করে তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।’ (সূরা আততালাকঃ ৩) আল্লাহর ওলীগণ বলেন, হে আমাদের রব, আমরা আপনার উপর ভরসা করি, আরো আপনার দিকে ধাবমান থাকি এবং আপনারই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তন। (সূরা মুমতাহিনাঃ ৪) আপনি বলুন, তিনিই রহমান, তার প্রতি আমরা ঈমান এনেছি আর আমরা তার উপর ভরসা করি।’ (সূরা নিসাঃ ২৯) আর আপনি আল্লাহর উপর ভরসা করুন এবং আল্লাহর উপর ভরসা করাই যথেষ্ট।’ (সূরা নিসাঃ ৮১) Read the rest of this entry

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.